হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনাগত কার্যক্রম, প্রযুক্তির ব্যবহার, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা নিয়ে যৌথভাবে গবেষণা করবে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার এবং প্রযুক্তি ও পেশাগত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান থ্রিলিফ টেকনোলজিস লিমিটেড।
এ লক্ষ্যে সম্প্রতি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় বিমানবন্দরের পরিচালনাগত কার্যক্রম, সহায়ক অবকাঠামো, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায়িক সুযোগ নিয়ে গবেষণা এবং তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন করা হবে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এআইইউবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ডিন-ইন-চার্জ অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টারের ডিরেক্টর-ইন-চার্জ ড. মুস্তাফা হাসান এবং ফাইন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
অন্যদিকে, থ্রিলিফ টেকনোলজিস লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মো. তাজুল ইসলাম (রুমেল), পরিচালক (টেকনোলজিস অ্যান্ড সিকিউরিটি) ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সাবেক পরিচালক মো. শাফায়েত বিন আব্দুল্লাহ এবং পরিচালক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) ও টাইমস পিআরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মিজানুর রহমান সোহেল।
অনুষ্ঠানে বিমানবন্দরের কার্যক্রমে প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, সেবার মানোন্নয়ন, পরিচালনাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়নে গবেষণাভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিমানবন্দরকেন্দ্রিক সহায়ক সেবা ও নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে এআইইউবির একাডেমিক ও গবেষণাগত সক্ষমতার সঙ্গে থ্রিলিফ টেকনোলজিসের প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং শিল্পখাতের অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর আওতায় জ্ঞান বিনিময়, প্রয়োগভিত্তিক গবেষণা এবং বিমানবন্দরের পরিচালনাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর সমাধান খোঁজার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বেসামরিক বিমান চলাচল ও অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কার্যক্রমের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের সম্ভাবনা চিহ্নিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সমঝোতা বিমানবন্দরের পরিচালনাগত উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর সেবার সম্প্রসারণ এবং নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা চিহ্নিত করতে গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগের পথ তৈরি করতে পারে।
তবে নির্দিষ্ট প্রকল্পে অংশগ্রহণ, বাণিজ্যিক চুক্তি ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট মূল্যায়ন, পারস্পরিক সমঝোতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।
অনলাইন ডেস্ক